প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে ১০ টাকা দান করুন!

হুম বলছিলাম অপরাজয় এর কথা। যেখানে আপনি চাইলে প্রতিদিন সকালে উঠে একজন ব্যক্তিকে দান করতে পারেন ১০ টাকা। অপরাজয় তাদের সিস্টেমটিতে নতুন নতুন সমস্যা কবতিল মানুষেদের ক্যাম্পেইন করার সুযোগ করে দেয়। আপনার এই দানের ফলে একটি পরিবার, একটি জীবন এমনকি একটি দেশের বৃহত পরিবর্তন হয়ে যাওয়া কোন বেপারই নয়। অপরাজয়ের মধ্যে যারা ক্যাম্পেইন করে তারা নিতান্তই গরিব, না হয় মধ্যবিত্ত। অথবা রোগে শোকে পড়ে খরচ করতে করতে আজকে প্রায় নিঃশ্ব। এছাড়া কারো রয়েছে উদ্ভবনি চিন্তা কিন্তু টাকার অভাবে কিছু করতে পারছে না। আপনি এদের থেকেই কাউকে খুজে বের করে একজনকে দান করুন। যাকে আপনার ভালো লাগে।

হাদিসে এসেছে, প্রত্যেক সৎকাজই একটি দান। গরিব অসহায়দের মাঝে শুধুমাত্র অর্থ সম্পদ বিলিয়ে দেয়ার নামই দান নয়, প্রতিটি ভালো কাজই একটি দান। তুমি তোমার ভাইয়ের সঙ্গে হাসি মুখে সাক্ষাৎ করবে এবং তোমার ভাইয়ের পানির পাত্রে তোমার বালতি থেকে (পানি) ঢেলে দেবে; এটাও সৎকাজ (সুতরাং এটাও দান)। যে ব্যক্তি অতি গোপনে দান করবে, তার জন্য রয়েছে অনেক বড় নিয়ামাত। গোপনে দানের ফজিলত সম্পর্কিত দুটি হাদিস তুলে ধরছি

প্রথম- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন আল্লাহর ছায়া ব্যতিত কোনো ছায়া থাকবে না, তখন আল্লাহ তাআলা সাত শ্রেণির লোককে তাঁর (আরশের) ছায়া দান করবেন। (তাদের মধ্যে একজন হলো) যে ব্যক্তি এতো গোপনে সাদকাহ বা দান করে যে, ডান হাত যা দান করে, বাম হাত তা টের পায় না।’ (বুখারি, মুসলিম, তিরমিজি, মুসনাদে আহমদ)

দ্বিতীয়- হজরত বাহয ইবনে হাকিম হতে বর্ণিত তিনি তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘গোপন দান বরকতময় আল্লাহ তাআলার ক্রোধ নিপতিত করে।’ (তাবরানি, তারগিব)